রাজার আগমন রাজার মতোই

 তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শেষে এবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শুরু হয়েছে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। দীর্ঘ দুই বছর পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের টি-টোয়েন্টি দলে ফেরানো হয়েছে আন্দ্রে রাসেলকে।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে  প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ব্যাট ও বল হাতে অলরাউন্ড পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন আন্দ্রে রাসেল। যে কারণে ম্যাচ সেরার পুরস্কারও উঠেছে তাঁর হাতে



ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডকে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২-১ এ হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। স্থানীয় সময় অনুযায়ী মঙ্গলবার বার্বাডোজে অনুষ্ঠিত হয়েছে পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটি। আর ওই ম্যাচেই নায়ক বনে গেছেন রাসেল।


সাধারণত বিশ্বজুড়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগগুলো খেলে থাকেন এই ক্রিকেটার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে জাতীয় দলের ডাক ফেরাতে পারেননি তিনি। বার্বাডোজে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক রভম্যান পাওয়েল।


ইংল্যান্ডকে ঝড়ো শুরু এনে দেন দুই ওপেনার জস বাটলার ও ফিল সল্ট। পাওয়ার প্লেতে ৭৭ রান তোলার পর ইনিংসের প্রথম উইকেট নেন আন্দ্রে রাসেল। ২০ বলে ৪০ রান করে সল্টকে ফেরান রাসেল। বাটলারও ফিরেন দলীয় ১১৭ রানে। রাসেলের দ্বিতীয় উইকেটটি আসে ১৯ বলে ২৭ রান করা লিভিংস্টোনকে ফিরিয়ে।


রেহান আহমেদকে আউট করে যৌথভাবে ইনিংসের সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন রাসেল। চার ওভার বোলিং করে ৪.৮০ ইকনোমিতে ১৯ রান দেন রাসেল। ইংল্যান্ড স্কোরবোর্ডে তোলে ১৭১ রান। জবাবে ব্র্যান্ডন কিংয়ের বিদায়ের পর শেই হোপ ও কাইল মায়ার্সের দুর্দান্ত ব্যাটিং দলকে ভালো ভিত গড়ে দেয়।


পুরান ও হেটমায়ার ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন। অবশ্য দলের জয়ের কাজটা করে দিয়েছেন আন্দ্রে রাসেল ও অধিনায়ক রভম্যান পাওয়েল। ১৪.৪ ওভারে ১২৩ রানে ছয় উইকেট পড়ার পর সেখান থেকে দলকে ম্যাচ জেতানোর কাজটা করে ফেলেন এই দুই ক্রিকেটার।


৩ চার ও ২ ছয়ে ২০৬.৬৭ স্ট্রাইক রেটে ১৫ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত ছিলেন পাওয়েল। অন্যদিকে দুই ছয় ও দুই চারে ১৪ বলে ২৯ করে অপরাজিত ছিলেন রাসেল। শেষ পর্যন্ত ১১ বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নেয় ক্যারিবিয়রা। বল হাতে তিন উইকেট ও ব্যাট হাতে অপরাজিত ২৯ রানের সুবাধে ম্যাচ সেরা হন আন্দ্রে রাসেল।

No comments:

Post a Comment